সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কম্বলে মুড়িয়ে ‘ডাস্টবিনে’ নবজাতককে ফেলে গেলেন মা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিদিরপুরে ককটেল বিস্ফোরনে আহত ১ ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনসিসি’র র‌্যালী, লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ মা-বাবা মারা গেছেন, ১০ বছরের শিশুকে ট্রেনে ফেলে গেলেন ভাই-ভাবি! চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৩ দিনে চাল আমদানি ১২১৬ মেট্রিক টন চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেরোইন-ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার ২ গোমস্তাপুরে যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৬ দুর্গাপুরে দোকান সমিতির ধর্মঘট ১৫ দিনের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে যেভাবে উদ্ধার চীনা শ্রমিকরা গণতন্ত্র চর্চায় শেখ হাসিনা অনন্য: ওবায়দুল কাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যান সমিতির মানববন্ধন সিলেট এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বুধবার ব্যাচেলর পার্টি করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় বরুণ ভূমিকম্পে কাঁপল চিলি, সুনামির ভুল বার্তায় আতঙ্ক মানিকছড়িতে বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ১৫ দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে এবার প্রথমে টিকা নিতে বললেন ফখরুল হাইকোর্টের সামনে নিহতের হত্যাকারী চিহ্নিত, যে কোনো সময় গ্রেফতার

ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ইউপি সচিবের মারধর, আতঙ্কিত শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৬ জন পড়েছেন

ভোলায় পরানগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে দৌলতখানের ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে।

রবিবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ বাজারের নাজিউর রহমান কলেজের পেছনে মীর বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ইউপি সচিব কর্তৃক মারধরের শিকার এসএসসি শিক্ষার্থী সোহাগ বর্তমানে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর পরিবার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনওসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন।

সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. সিরাজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে পরানগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. সোহাগ প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়ে বাড়ী ফেরার পথে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে তার সহপাঠি বন্ধু মিতুলের সাথে কথা বলছিলো। এসময় ওই পথ দিয়ে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আলমগীর হোসেনসহ আরও একজন লোকসহ যাচ্ছিলো। শিক্ষার্থী মিতুলের সহপাঠি সোহাগকে সাইড দিতে বলে। সোহাগ সচিব আলমগীরকে সাইড দেয়। সচিব আলমগীর ও তার সাথে থাকা লোক কিছু দূর চলে যায়। সোহাগ তার সহপাঠি বন্ধু মিতুলের উদ্দেশ্যে বলে মানুষই তো যাইতেছে, গাড়িতো আর যাইতেছে না যে মাইরা দিয়া চলে যাবে। ভয়ের কি আছে। দুই বন্ধুর সাথে চলা এই কথা দুর থেকে শুনতে পেয়ে ইউপি সচিব আলমগীর হোসেন উত্তেজিত হয়ে তেঁড়ে এসে এসএসসি পরীক্ষার্থী সোহাগকে মারধর করে। সচিব আলমগীর উত্তেজিত মেজাজে বলে তোর বাড়ি কোথায়, বাপের নাম কি, তোর বাপেরে বাড়ি থেকে এনে তোকে ও বাপকে পিঠাবো। আমাকে চিনিস? এসময় শিক্ষার্থী সোহাগ ও মিতুল সচিব আলমগীর হোসেনকে উদ্দেশ্যে করে বলে আপনাকে তো কিছু বলি নাই। আপনি কেনো এমন করছেন। আলমগীর হোসেন আরও উত্তেজিত হয়ে সোহাগকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একজন ইউপি সচিবের এমন আচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে শিক্ষার্থী সোহাগ ও মিতুল।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী মো. সোহাগের বড় ভাই এম শাহরিয়ার জিলন বলেন, দুই বন্ধুর কথোপকথনকে কেন্দ্র করে ইউপি সচিব আলমগীর হোসেন আমার ভাই সোহাগকে মারধর ও অশোভন আচরণের ঘটনায় আমরা ব্যথিত হয়েছি। একজন ইউপি সচিবের কাছ থেকে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা আশা করিনি। আমার ভাই এসএসসি পরীক্ষার্থী সোহাগ এ ঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। আমি এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও স্যারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আলমগীর হোসেন বলেন, আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। তারা রাস্তা অবরোধ করে রাখছিলো। তারা দুজন কথা বলছিলো, আমি ডাক দিলে কথা না শুনায় সোহাগকে থাপ্পর দিয়েছি।

বাল্যবিয়ে ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এডভোকেট সাহাদাত হোসেন শাহিন বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থী সোহাগকে মারধরের ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তুচ্ছ কারণে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একজন সরকারী চাকুরীজীবি ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কেউ আশা করে না। প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ আলমগীর হোসেনের আগেও একাধিক লোকের সাথে এমন অশোভন আচরণ করেছেন বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Theme Developed BY Ashik