রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিজিবি ও ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ভুক্তভোগীর || হয়রানির অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এডাবের বার্ষিক সাধারণ সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস। উত্তর কোরিয়ায় করোনার টিকা গবেষণাগারে হ্যাকারদের হামলা ১৭ দিনের নবজাতককে হত্যার কথা স্বীকার করলেন মা সাত ব্যাংকে ৭৭১ পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত ‘আদিপুরুষ’ সিনেমায় প্রভাসের সীতা হচ্ছেন কৃতি সাকিবের মাইলফলক করোনা বাড়লেও সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে সংশয়: জিএম কাদের বিএড কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে যেসব কলেজে নির্বাচনকে ঘিরে জম্মু-কাশ্মীরে থমথমে পরিস্থিতি ভ্যানগাড়িকে বাঁচাতে গিয়ে বাস খাদে, নিহত ৩ আদালতে টিকছে না ট্রাম্পের দায়ের করা মামলা অস্ট্রেলিয়া সফরে নেই ইশান্ত, অনিশ্চিত রোহিত আবার উত্তপ্ত কাশ্মীর, ২ ভারতীয় সেনা নিহত শীতকালে হাত-পায়ের শুষ্কতা এড়াতে করণীয় বিজিবির শিবগঞ্জ সীমান্তে বিশেষ অভিযানে আসামীসহ ইয়াবা-ফেন্সিডিল উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে রামকৃষ্টপুর মহল্লার মাসুদ গ্রেপ্তার শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা ম্যারাডোনা ভক্তদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ : ১০ সেনাকে বরখাস্ত করতে পারে অস্ট্রেলিয়া

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ককে ‘ধর্ষণ’ গণ্য করতে লিগ্যাল নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৮৭ জন পড়েছেন

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো স্বামী যদি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাহলে সেটাকে ‘বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ‘ম্যারিটাল রেপ’ হিসেবে গণ্য করে আইন সংশোধনে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল (আইনি) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জাহিদ চৌধুরী জনি এই নোটিশ পাঠান। দেশে আইনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ল কমিশনের চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের ডিজি এবং সমাজসেবা অধিদফতরের ডিজিকে বিবাদী করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির কোথাও নারীর বৈবাহিক জীবনে তার স্বামী কর্তৃক যদি ধর্ষিত হয়, তাহলে ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ ওই নারী নিতে পারেন না। এছাড়া সামাজিকতার প্রেক্ষাপটে কখনো এ বিষয়টা নিয়ে জনসম্মুখে আসতেও পারেন না তিনি।

গবেষণায় তথ্য উঠে এসেছে, এ বছর দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২৭ জেলাতেই বৈবাহিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস কমিশন ১৯৯৩ সালে বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে মানবাধিকার লংঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে আইন রয়েছে। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বাংলাদেশে বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি বা শাস্তির কথা উল্লেখ নেই।

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এমন কোনো ব্যক্তি ধর্ষণ করলে তার শাস্তির বিধান থাকলেও পারিবারিক নির্যাতনের মাধ্যমে যে নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, তাদের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌজন্যে: jagonews24.com

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Theme Developed BY Ashik